Meiji Education-এর আয়োজনে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে 16th Kake International Japanese Speech Contest 2026। প্রতিযোগিতায় Japanese Language-এ আত্মবিশ্বাসী ও সাবলীল বক্তব্য উপস্থাপন করে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন Rubaiya Hassan। পুরস্কার হিসেবে তিনি পেয়েছেন ৩০ হাজার ইয়েন এবং Kake Educational Institution-এ এক বছরের Tuition Waiver।
রাজধানীর কলাবাগানে অবস্থিত Green Landmark Tower-এর চতুর্থ তলায় আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় Japanese Language-এর শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। এবারের প্রতিযোগিতার Topic ছিল—「未来に伝えたいこと」, যার English অর্থ “A Message for the Future”। প্রতিযোগীরা নিজেদের অভিজ্ঞতা, উপলব্ধি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বার্তা Japanese Language-এ তুলে ধরেন।
প্রথম Rubaiya, দ্বিতীয় Jubair ও তৃতীয় Rahat
প্রতিযোগীদের বক্তব্যের বিষয়বস্তু, Japanese Language দক্ষতা, উচ্চারণ, উপস্থাপনার ধরন এবং আত্মবিশ্বাস মূল্যায়নের মাধ্যমে তিনজনকে বিজয়ী নির্বাচিত করা হয়।
🥇 Rubaiya Hassan প্রথম স্থান অর্জন করে পেয়েছেন ¥30,000 এবং Kake Educational Institution-এ এক বছরের Tuition Waiver।
🥈 Md Jubair Rahman Sabbir দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে পেয়েছেন ¥20,000।
🥉 MD Rahat Chowdhury তৃতীয় স্থান অর্জন করে পেয়েছেন ¥10,000।
অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন Mr. AOYAGI Yu, Head of Public Relations and Culture, Embassy of Japan এবং Md Jashim Uddin Bhuyian, Chairman of Meiji Education।
Japanese Language দুই দেশের মানুষের মধ্যে সেতুবন্ধন
অনুষ্ঠানে বিশেষ বক্তব্য দেন Mr. AOYAGI Yu। তিনি বলেন, এই Speech Contest-এর উদ্দেশ্য কেবল Japanese Language শেখা কিংবা প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এমন আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা Japan-এর Culture, সমাজ ও মানুষের চিন্তাভাবনা সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানার সুযোগ পায়। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও জাপানের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ে।
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও জাপান অর্ধশতাব্দীর বেশি সময় ধরে ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে। দুই দেশের সরকার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান Bilateral Relations শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও এ বন্ধুত্বের মূল ভিত্তি হলো দুই দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে যোগাযোগ।
Mr. AOYAGI Yu-এর মতে, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, গবেষক ও ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষ যখন পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং একে অন্যের কাছ থেকে শেখেন, তখন দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর ও স্থায়ী হয়।
ভাষা শেখা মানে নতুন একটি সংস্কৃতিকে জানা
Japanese Language Education-এর গুরুত্ব তুলে ধরে Mr. AOYAGI Yu বলেন, একটি বিদেশি ভাষা শেখা মানে শুধু নতুন শব্দ বা Vocabulary শেখা নয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা অন্য একটি সমাজের ভাব প্রকাশের ধরন, চিন্তাধারা, মূল্যবোধ ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে পারে।
Japanese Language-এর মাধ্যমে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা যেমন Japan-কে নতুনভাবে আবিষ্কার করতে পারে, তেমনি তাদের বক্তব্য ও অভিব্যক্তির মাধ্যমে Japanese মানুষও Bangladesh এবং এ দেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে পারে। এ কারণে Japanese Language-এর প্রত্যেক শিক্ষার্থী বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে একটি সম্ভাবনাময় সেতু হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তরুণ প্রজন্মের জন্য আরও সুযোগ তৈরিতে Japanese Language Education, Cultural Exchange এবং People-to-People Exchange-এর মতো উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে Embassy of Japan-এর সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রতিযোগীদের উদ্দেশে তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বক্তব্য উপস্থাপন, প্রতিযোগিতাটি উপভোগ এবং নিজস্ব কণ্ঠে নিজেদের বার্তা প্রকাশের আহ্বান জানান। পাশাপাশি এমন একটি অর্থবহ আয়োজনের জন্য Meiji Education ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।
দায়িত্বে ছিলেন দুই সম্মানিত বিচারক
প্রতিযোগিতায় Honorable Judges হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন:
⚖️ Mr. UZAWA TAKEO — Japanese Language Education Specialist, The Japan Foundation (Assigned to BMET)
⚖️ Mr. Shimosawa Takashi — Principal, Tomoshibi Academy
বিচারকেরা অংশগ্রহণকারীদের বক্তব্যের মূল ভাবনা, ভাষাগত দক্ষতা, উচ্চারণ, উপস্থাপনা এবং শ্রোতাদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের সক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করেন।
অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে Photo Session
পুরস্কার বিতরণ শেষে Contest-এ অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী এবং Meiji Education-এর Team Members-দের নিয়ে একটি বিশেষ Photo Session অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিজয়ীদের পাশাপাশি অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা অংশ নেন।
আয়োজকদের মতে, এ ধরনের Speech Contest শিক্ষার্থীদের Japanese Language ব্যবহারের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন, জনসমক্ষে কথা বলার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি এবং সৃজনশীল চিন্তা প্রকাশের সুযোগ তৈরি করে। একই সঙ্গে এ আয়োজন Bangladesh ও Japan-এর মধ্যে Education ও Cultural Exchange আরও শক্তিশালী করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
